Dhaka , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা Logo বহিষ্কৃত এমপির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইসিতে জামায়াতের চিঠি Logo শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক সিজেপিয়ের, উত্তেজনা তুঙ্গে Logo মুগদা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২২ জন গ্রেফতার Logo সেবামূলক কার্যক্রমে মানুষের আস্থার প্রতীক ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ Logo ভারতের শিক্ষার্থী আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে সরব শোবিজ অঙ্গন Logo সিআইএমএস ফরম পূরণ সপ্তাহে রামপুরা থানায় র‍্যালি ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo সৌদি আরবের পারমাণবিক কর্মসূচিতে সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন চুক্তি Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে প্রথমবার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, জবাব রাহুল গান্ধী ও সিপিআইয়ের

রামিসার ফরেনসিক প্রতিবেদনে মৃত্যুর আগে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট এর সময় : ০৬:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
  • ৪০ বার দেখা হয়েছে

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ৭ বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফরেনসিক রিপোর্টে সত্যতা প্রমাণ পেয়েছে। রিপোর্ট বলছে, শিশুটিকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছে।

 

আজ রোববার ফরেনসিক রিপোর্ট পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে। ফরেনসিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনার দিন শিশু রামিসাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। এরপর ধর্ষণ শেষে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে তার দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে রোববার আদালতে চার্জশিট দেওয়া হবে।

এর আগে, গতকাল শনিবার (২৩ মে) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট হস্তান্তর করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে, এই চাঞ্চল্যকর মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনার জন্য আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। শনিবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে শিশু রামিসাকে নির্যাতনের পর হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। একই দিনে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোহেল রানা জানায়, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শিশু রামিসা ঘর থেকে বের হলে সে তাকে জোরপূর্বক নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হলে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।

এরই মধ্যে রামিসার মা তাকে খুঁজতে এসে দরজায় কড়া নাড়তে থাকলে, ধরা পড়ার ভয়ে সোহেল রানা শিশুটিকে নির্মমভাবে হত্যা করে এবং প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে মরদেহ ক্ষতবিক্ষত করে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে।

পুলিশের আবেদন ও মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে নেওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তার পরিবারের সদস্যরা। একপর্যায়ে অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তারা। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢ়ুকে স্বজন ও প্রতিবেশীরা রামিসার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেন।

About Author Information

জনপ্রিয় খবর

ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা

রামিসার ফরেনসিক প্রতিবেদনে মৃত্যুর আগে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে

আপডেট এর সময় : ০৬:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ৭ বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফরেনসিক রিপোর্টে সত্যতা প্রমাণ পেয়েছে। রিপোর্ট বলছে, শিশুটিকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছে।

 

আজ রোববার ফরেনসিক রিপোর্ট পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে। ফরেনসিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনার দিন শিশু রামিসাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। এরপর ধর্ষণ শেষে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে তার দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে রোববার আদালতে চার্জশিট দেওয়া হবে।

এর আগে, গতকাল শনিবার (২৩ মে) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট হস্তান্তর করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে, এই চাঞ্চল্যকর মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনার জন্য আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। শনিবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে শিশু রামিসাকে নির্যাতনের পর হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। একই দিনে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোহেল রানা জানায়, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শিশু রামিসা ঘর থেকে বের হলে সে তাকে জোরপূর্বক নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হলে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।

এরই মধ্যে রামিসার মা তাকে খুঁজতে এসে দরজায় কড়া নাড়তে থাকলে, ধরা পড়ার ভয়ে সোহেল রানা শিশুটিকে নির্মমভাবে হত্যা করে এবং প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে মরদেহ ক্ষতবিক্ষত করে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে।

পুলিশের আবেদন ও মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে নেওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তার পরিবারের সদস্যরা। একপর্যায়ে অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তারা। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢ়ুকে স্বজন ও প্রতিবেশীরা রামিসার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেন।