Dhaka , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা Logo বহিষ্কৃত এমপির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইসিতে জামায়াতের চিঠি Logo শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক সিজেপিয়ের, উত্তেজনা তুঙ্গে Logo মুগদা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২২ জন গ্রেফতার Logo সেবামূলক কার্যক্রমে মানুষের আস্থার প্রতীক ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ Logo ভারতের শিক্ষার্থী আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে সরব শোবিজ অঙ্গন Logo সিআইএমএস ফরম পূরণ সপ্তাহে রামপুরা থানায় র‍্যালি ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo সৌদি আরবের পারমাণবিক কর্মসূচিতে সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন চুক্তি Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে প্রথমবার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, জবাব রাহুল গান্ধী ও সিপিআইয়ের

সপ্তম দিনেও ডুয়েটে অচলাবস্থা, দাবি আদায়ে কঠোর অবস্থানে শিক্ষার্থীরা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট এর সময় : ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • ৪১ বার দেখা হয়েছে

গাজীপুরের ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট) ক্যাম্পাসে নতুন উপাচার্য নিয়োগ প্রত্যাখ্যানকে কেন্দ্র করে চলমান আন্দোলন সপ্তম দিনেও থামেনি। শিক্ষার্থীদের একাংশের ঘোষণা অনুযায়ী কমপ্লিট শাটডাউন অব্যাহত থাকায় প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ায় ক্যাম্পাসে প্রবেশও সীমিত হয়ে পড়েছে।

আন্দোলনকারীদের দাবি, নবনিযুক্ত উপাচার্য নিয়োগ বাতিল করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তর থেকেই নতুন ভিসি নিয়োগ দিতে হবে। এই দাবিকে কেন্দ্র করে গত এক সপ্তাহ ধরে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ও অচলাবস্থা বিরাজ করছে। এর আগে বিক্ষোভ, ব্লকেড এবং পাল্টাপাল্টি অবস্থানের মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার নেয়।

গত রোববারের সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন সরকার নিয়োগপ্রাপ্ত নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এরপর থেকে তিনি কখনো ভার্চুয়ালি আবার কখনো শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করছেন। তবে সরাসরি ক্যাম্পাসে প্রবেশ এখনও সম্ভব হয়নি।

শিক্ষকদের সঙ্গে সাম্প্রতিক এক বৈঠকে আন্দোলনকারীদের তিন দফা দাবি নিয়ে আলোচনা হলেও সমাধান আসেনি। শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রশাসনিক সমন্বয়ের চেষ্টা চলছে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে। পুরকৌশল বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, “নতুন ভিসির নিয়োগ প্রত্যাহার না হলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে। আলোচনার দরজা খোলা থাকলেও এখনো কোনো কার্যকর অগ্রগতি হয়নি।”

এদিকে ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। গত কয়েক দিনে বিক্ষোভ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কারণে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনো সংকট সমাধানে চূড়ান্ত কোনো ঘোষণা দেয়নি। ফলে ডুয়েট ক্যাম্পাসে অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে এবং সমাধানের পথ এখনও অনিশ্চিত।

About Author Information

জনপ্রিয় খবর

ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা

সপ্তম দিনেও ডুয়েটে অচলাবস্থা, দাবি আদায়ে কঠোর অবস্থানে শিক্ষার্থীরা

আপডেট এর সময় : ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

গাজীপুরের ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট) ক্যাম্পাসে নতুন উপাচার্য নিয়োগ প্রত্যাখ্যানকে কেন্দ্র করে চলমান আন্দোলন সপ্তম দিনেও থামেনি। শিক্ষার্থীদের একাংশের ঘোষণা অনুযায়ী কমপ্লিট শাটডাউন অব্যাহত থাকায় প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ায় ক্যাম্পাসে প্রবেশও সীমিত হয়ে পড়েছে।

আন্দোলনকারীদের দাবি, নবনিযুক্ত উপাচার্য নিয়োগ বাতিল করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তর থেকেই নতুন ভিসি নিয়োগ দিতে হবে। এই দাবিকে কেন্দ্র করে গত এক সপ্তাহ ধরে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ও অচলাবস্থা বিরাজ করছে। এর আগে বিক্ষোভ, ব্লকেড এবং পাল্টাপাল্টি অবস্থানের মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার নেয়।

গত রোববারের সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন সরকার নিয়োগপ্রাপ্ত নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এরপর থেকে তিনি কখনো ভার্চুয়ালি আবার কখনো শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করছেন। তবে সরাসরি ক্যাম্পাসে প্রবেশ এখনও সম্ভব হয়নি।

শিক্ষকদের সঙ্গে সাম্প্রতিক এক বৈঠকে আন্দোলনকারীদের তিন দফা দাবি নিয়ে আলোচনা হলেও সমাধান আসেনি। শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রশাসনিক সমন্বয়ের চেষ্টা চলছে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে। পুরকৌশল বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, “নতুন ভিসির নিয়োগ প্রত্যাহার না হলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে। আলোচনার দরজা খোলা থাকলেও এখনো কোনো কার্যকর অগ্রগতি হয়নি।”

এদিকে ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। গত কয়েক দিনে বিক্ষোভ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কারণে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনো সংকট সমাধানে চূড়ান্ত কোনো ঘোষণা দেয়নি। ফলে ডুয়েট ক্যাম্পাসে অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে এবং সমাধানের পথ এখনও অনিশ্চিত।