Dhaka , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা Logo বহিষ্কৃত এমপির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইসিতে জামায়াতের চিঠি Logo শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক সিজেপিয়ের, উত্তেজনা তুঙ্গে Logo মুগদা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২২ জন গ্রেফতার Logo সেবামূলক কার্যক্রমে মানুষের আস্থার প্রতীক ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ Logo ভারতের শিক্ষার্থী আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে সরব শোবিজ অঙ্গন Logo সিআইএমএস ফরম পূরণ সপ্তাহে রামপুরা থানায় র‍্যালি ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo সৌদি আরবের পারমাণবিক কর্মসূচিতে সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন চুক্তি Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে প্রথমবার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, জবাব রাহুল গান্ধী ও সিপিআইয়ের

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকার প্রস্তাব বরাদ্দ, প্রতিবন্ধীদের ভাতা বৃদ্ধির উদ্যোগ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট এর সময় : ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • ৪৯ বার দেখা হয়েছে

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে ৪১ লাখ নারীকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা ফ্যামিলি কার্ড খাতে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য। 

 

জাতীয় সংসদে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে এই প্রস্তাব রাখেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বাজেট বক্তব্যে খসরু মাহমুদ বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির লক্ষ্য হলো জীবনচক্রভিত্তিক সুরক্ষার মাধ্যমে দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। এই কাঠামোর মূল দর্শন অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও স্বনির্ভরতা অর্জন। সরকার গঠনের এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারের ‘সিগনেচার’ এই কর্মসূচি এরই মধ্যে পাইলট আকারে চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে পরিবারের প্রধান নারী মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। ২০৩০ সালের মধ্যে এই কর্মসূচি দেশব্যাপী সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী অর্থবছরে ৪১ লাখ নারীকে এই কার্ডের আওতায় আনতে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি চলমান বয়স্ক ভাতা এবং বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারীদের ভাতা কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

এছাড়া, ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য ট্রেন ভ্রমণে শতভাগ ফ্রি বা বিনামূল্যে যাতায়াত এবং মেট্রোরেল ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে।

সামাজিক সুরক্ষার আওতা বাড়িয়ে এবার প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীর সংখ্যা ৩৮ লাখে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যেখানে মাসিক ভাতা হবে ১ হাজার টাকা। এছাড়া, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের ভাতাভোগীর সংখ্যা ১ লাখে উন্নীত করার পাশাপাশি শিক্ষার স্তরভেদে মাসিক ভাতা ১ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একইসঙ্গে মা-শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ১৮ লাখ ৯৫ হাজার মা ও শিশুকে প্রতি মাসে ৮৫০ টাকা করে সহায়তা দেওয়া হবে।

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, ক্যানসারসহ ছয়টি দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের এককালীন আর্থিক সহায়তা ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে নতুন বাজেটে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টার দিকে জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বাজেট উত্থাপন শুরু করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। তার আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়।

About Author Information

জনপ্রিয় খবর

ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকার প্রস্তাব বরাদ্দ, প্রতিবন্ধীদের ভাতা বৃদ্ধির উদ্যোগ

আপডেট এর সময় : ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে ৪১ লাখ নারীকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা ফ্যামিলি কার্ড খাতে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য। 

 

জাতীয় সংসদে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে এই প্রস্তাব রাখেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বাজেট বক্তব্যে খসরু মাহমুদ বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির লক্ষ্য হলো জীবনচক্রভিত্তিক সুরক্ষার মাধ্যমে দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। এই কাঠামোর মূল দর্শন অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও স্বনির্ভরতা অর্জন। সরকার গঠনের এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারের ‘সিগনেচার’ এই কর্মসূচি এরই মধ্যে পাইলট আকারে চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে পরিবারের প্রধান নারী মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। ২০৩০ সালের মধ্যে এই কর্মসূচি দেশব্যাপী সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী অর্থবছরে ৪১ লাখ নারীকে এই কার্ডের আওতায় আনতে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি চলমান বয়স্ক ভাতা এবং বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারীদের ভাতা কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

এছাড়া, ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য ট্রেন ভ্রমণে শতভাগ ফ্রি বা বিনামূল্যে যাতায়াত এবং মেট্রোরেল ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে।

সামাজিক সুরক্ষার আওতা বাড়িয়ে এবার প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীর সংখ্যা ৩৮ লাখে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যেখানে মাসিক ভাতা হবে ১ হাজার টাকা। এছাড়া, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের ভাতাভোগীর সংখ্যা ১ লাখে উন্নীত করার পাশাপাশি শিক্ষার স্তরভেদে মাসিক ভাতা ১ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একইসঙ্গে মা-শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ১৮ লাখ ৯৫ হাজার মা ও শিশুকে প্রতি মাসে ৮৫০ টাকা করে সহায়তা দেওয়া হবে।

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, ক্যানসারসহ ছয়টি দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের এককালীন আর্থিক সহায়তা ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে নতুন বাজেটে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টার দিকে জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বাজেট উত্থাপন শুরু করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। তার আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়।