Dhaka , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা Logo বহিষ্কৃত এমপির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইসিতে জামায়াতের চিঠি Logo শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক সিজেপিয়ের, উত্তেজনা তুঙ্গে Logo মুগদা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২২ জন গ্রেফতার Logo সেবামূলক কার্যক্রমে মানুষের আস্থার প্রতীক ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ Logo ভারতের শিক্ষার্থী আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে সরব শোবিজ অঙ্গন Logo সিআইএমএস ফরম পূরণ সপ্তাহে রামপুরা থানায় র‍্যালি ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo সৌদি আরবের পারমাণবিক কর্মসূচিতে সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন চুক্তি Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে প্রথমবার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, জবাব রাহুল গান্ধী ও সিপিআইয়ের

প্রতিপক্ষকে আঘাত করে ফাইনালের পর লাল কার্ড দেখলেন মেসির সতীর্থ

  • মাহ্দী হাসান
  • আপডেট এর সময় : ০১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

বিশ্বকাপ ফাইনালের নাটকীয় সমাপ্তির পরও উত্তেজনা থামেনি মাঠে। শেষ বাঁশি বাজার পর দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়ে প্রতিপক্ষকে ধাক্কা দেওয়ায় আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার ও মেসির সতীর্থ লিয়ান্দ্রো পারেদেস লাল কার্ড দেখেন। ম্যাচ চলাকালেও একাধিকবার বিতর্কে জড়ানো এই মিডফিল্ডার শেষ পর্যন্ত ম্যাচ শেষ হওয়ার পর বহিষ্কারের বিরল ঘটনার অংশ হয়ে যান।

ঘটনার সূত্রপাত হয় আর্জেন্টিনার এক খেলোয়াড়ের সঙ্গে স্পেনের এরিক গার্সিয়ার কথা কাটাকাটি থেকে। কিছুটা দূরে থাকা পারেদেস দ্রুত সেখানে ছুটে এসে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন। এরপর দুই দলের আরও কয়েকজন খেলোয়াড় সেই উত্তেজনায় জড়িয়ে পড়েন।

টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা যায়, পারেদেস গাভির মুখেও আঘাত করেন। থিয়াগো আলমাদাকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে বার্সেলোনার এই মিডফিল্ডারকেও ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়।

ঘটনার সময় কয়েক মিটার দূরেই দানি ওলমো হাঁটু গেড়ে নিকো উইলিয়ামসকে আলিঙ্গন করে শিরোপা উদযাপন করছিলেন। ঠিক তখনই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। ম্যাচ শেষ হয়ে গেলেও পরিস্থিতি বিবেচনায় রেফারি পারেদেসকে লাল কার্ড দেখান।

স্প্যানিশ সংবাদপত্র মার্কা জানিয়েছে, পারেদেস সবচেয়ে ঘৃণিত খেলোয়াড়দের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন।

মাঠে নামার পর থেকেই পারেদেস একাধিক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। বদলি হিসেবে নামার কয়েক মিনিটের মধ্যেই দানি ওলমোকে ধাক্কা দেওয়ার কারণে তিনি হলুদ কার্ড দেখেন।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের শেষ দিকে পেনাল্টি এলাকার ঠিক বাইরে আরেকটি ফাউল করলেও সে ঘটনায় রেফারি তাকে দ্বিতীয় কোনো কার্ড দেখাননি।

এটি এমন একটি ম্যাচ ছিল, যেখানে আর্জেন্টিনার কয়েকজন খেলোয়াড় নিজেদের আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। রেফারির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে প্রথম হলুদ কার্ড পান এনজো ফার্নান্দেজ। পরে নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে পাউ কুবারসিকে অপ্রয়োজনীয় ফাউল করায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এই মিডফিল্ডার।

চোটও ভোগায় আর্জেন্টিনাকে। প্রথমার্ধের শেষদিকে লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ইনজুরিতে মাঠ ছাড়েন। দ্বিতীয়ার্ধে একই কারণে খেলা চালিয়ে যেতে পারেননি ক্রিস্টিয়ান রোমেরোও।

অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে নিকোলাস তাগলিয়াফিকোও চোটে পড়েন। তবে তখন আর্জেন্টিনা ইতোমধ্যে ১০ জনে নেমে গিয়েছিল এবং সব বদলি খেলোয়াড় ব্যবহার করে ফেলায় তাকে বাধ্য হয়ে মাঠেই খেলা চালিয়ে যেতে হয়।

About Author Information

জনপ্রিয় খবর

ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা

প্রতিপক্ষকে আঘাত করে ফাইনালের পর লাল কার্ড দেখলেন মেসির সতীর্থ

আপডেট এর সময় : ০১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপ ফাইনালের নাটকীয় সমাপ্তির পরও উত্তেজনা থামেনি মাঠে। শেষ বাঁশি বাজার পর দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়ে প্রতিপক্ষকে ধাক্কা দেওয়ায় আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার ও মেসির সতীর্থ লিয়ান্দ্রো পারেদেস লাল কার্ড দেখেন। ম্যাচ চলাকালেও একাধিকবার বিতর্কে জড়ানো এই মিডফিল্ডার শেষ পর্যন্ত ম্যাচ শেষ হওয়ার পর বহিষ্কারের বিরল ঘটনার অংশ হয়ে যান।

ঘটনার সূত্রপাত হয় আর্জেন্টিনার এক খেলোয়াড়ের সঙ্গে স্পেনের এরিক গার্সিয়ার কথা কাটাকাটি থেকে। কিছুটা দূরে থাকা পারেদেস দ্রুত সেখানে ছুটে এসে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন। এরপর দুই দলের আরও কয়েকজন খেলোয়াড় সেই উত্তেজনায় জড়িয়ে পড়েন।

টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা যায়, পারেদেস গাভির মুখেও আঘাত করেন। থিয়াগো আলমাদাকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে বার্সেলোনার এই মিডফিল্ডারকেও ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়।

ঘটনার সময় কয়েক মিটার দূরেই দানি ওলমো হাঁটু গেড়ে নিকো উইলিয়ামসকে আলিঙ্গন করে শিরোপা উদযাপন করছিলেন। ঠিক তখনই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। ম্যাচ শেষ হয়ে গেলেও পরিস্থিতি বিবেচনায় রেফারি পারেদেসকে লাল কার্ড দেখান।

স্প্যানিশ সংবাদপত্র মার্কা জানিয়েছে, পারেদেস সবচেয়ে ঘৃণিত খেলোয়াড়দের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন।

মাঠে নামার পর থেকেই পারেদেস একাধিক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। বদলি হিসেবে নামার কয়েক মিনিটের মধ্যেই দানি ওলমোকে ধাক্কা দেওয়ার কারণে তিনি হলুদ কার্ড দেখেন।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের শেষ দিকে পেনাল্টি এলাকার ঠিক বাইরে আরেকটি ফাউল করলেও সে ঘটনায় রেফারি তাকে দ্বিতীয় কোনো কার্ড দেখাননি।

এটি এমন একটি ম্যাচ ছিল, যেখানে আর্জেন্টিনার কয়েকজন খেলোয়াড় নিজেদের আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। রেফারির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে প্রথম হলুদ কার্ড পান এনজো ফার্নান্দেজ। পরে নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে পাউ কুবারসিকে অপ্রয়োজনীয় ফাউল করায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এই মিডফিল্ডার।

চোটও ভোগায় আর্জেন্টিনাকে। প্রথমার্ধের শেষদিকে লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ইনজুরিতে মাঠ ছাড়েন। দ্বিতীয়ার্ধে একই কারণে খেলা চালিয়ে যেতে পারেননি ক্রিস্টিয়ান রোমেরোও।

অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে নিকোলাস তাগলিয়াফিকোও চোটে পড়েন। তবে তখন আর্জেন্টিনা ইতোমধ্যে ১০ জনে নেমে গিয়েছিল এবং সব বদলি খেলোয়াড় ব্যবহার করে ফেলায় তাকে বাধ্য হয়ে মাঠেই খেলা চালিয়ে যেতে হয়।