Dhaka , রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা Logo বহিষ্কৃত এমপির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইসিতে জামায়াতের চিঠি Logo শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক সিজেপিয়ের, উত্তেজনা তুঙ্গে Logo মুগদা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২২ জন গ্রেফতার Logo সেবামূলক কার্যক্রমে মানুষের আস্থার প্রতীক ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ Logo ভারতের শিক্ষার্থী আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে সরব শোবিজ অঙ্গন Logo সিআইএমএস ফরম পূরণ সপ্তাহে রামপুরা থানায় র‍্যালি ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo সৌদি আরবের পারমাণবিক কর্মসূচিতে সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন চুক্তি Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে প্রথমবার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, জবাব রাহুল গান্ধী ও সিপিআইয়ের

স্বপ্নভঙ্গ ব্রাজিলের, ২-১ গোলে হেরে বিদায় সেলেসাওদের

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট এর সময় : ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • ৩৫ বার দেখা হয়েছে

বিশ্বকাপের ২০২৬ আসরে ষষ্ঠ শিরোপা জয়ের স্বপ্ন নিয়েই মাঠে নেমেছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে দলটি ছিল শিরোপার অন্যতম দাবিদারও। কিন্তু সেই ‘মিশন হেক্সা’ আবারও অধরাই থেকে গেল। শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে সেলেসাওরা।

এদিকে ২০০৬ সালে ফ্রান্স, ২০১০ সালে নেদারল্যান্ডস, ২০১৪ সালে জার্মানি, ২০১৮ সালে বেলজিয়াম, ২০২২ সালে ক্রোয়েশিয়ার পর এবার ২০২৬ বিশ্বকাপে নরওয়ের কাছেও হারল সেলেসাওরা। দুই দশকের বেশি সময় ধরে বিশ্বকাপের নকআউটে ইউরোপীয় বাধা আর পেরোতে পারছে না ব্রাজিল।

কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার এই সাফল্য নরওয়েকে নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছে, আর ব্রাজিলের জন্য রেখে গেল আরও একবার অপূর্ণ থেকে যাওয়া ‘মিশন হেক্সা’র আক্ষেপ।

রোববার (৫ জুলাই) মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই সুযোগ তৈরি করেছিল ব্রাজিল। প্রথমার্ধেই এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল তারা। পেনাল্টি থেকে গোল করার সুযোগ পান ব্রুনো গুইমারেস। কিন্তু তার নেয়া শট দুর্দান্ত দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক। ম্যাচের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হয়ে ওঠে সেই সেভ।

প্রথমার্ধে গোলশূন্য সমতায় শেষ হওয়া ম্যাচে বিরতির পর পাল্টে যায় চিত্র। দ্বিতীয়ার্ধে নরওয়ের হয়ে জ্বলে ওঠেন আর্লিং হালান্ড। দুর্দান্ত দুটি গোল করে দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান তিনি। তার জোড়া গোলের জবাব দিতে পারেনি ব্রাজিল।

ম্যাচের শেষ দিকে পেনাল্টি থেকে একটি গোল শোধ করেন নেইমার। সেই গোলে কিছুটা আশা জাগলেও সমতা ফেরানোর মতো আর সুযোগ তৈরি করতে পারেনি আনচেলত্তির দল। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানের হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

এই হারের মধ্য দিয়ে আরও একটি হতাশাজনক রেকর্ডের সাক্ষী হলো ব্রাজিল। ২০০২ সালে সর্বশেষ বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে টানা ছয়টি বিশ্বকাপেই নকআউট পর্বে ইউরোপীয় দলের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে তাদের।

বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই ব্রাজিলকে অন্যতম ফেভারিট হিসেবে দেখা হচ্ছিল। অভিজ্ঞ ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে দলটির আক্রমণভাগ, মিডফিল্ড ও অভিজ্ঞতার সমন্বয় নিয়ে ছিল বড় প্রত্যাশা। কিন্তু সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখা যায়নি মাঠে। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সুযোগ নষ্ট করা, আক্রমণে ধার হারানো এবং প্রতিপক্ষের সুযোগ কাজে লাগানোর দক্ষতার কাছেই হার মানতে হয়েছে ব্রাজিলকে।

অন্যদিকে, এই জয় নরওয়ের ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায় লিখেছে। আর্লিং হালান্ডের নেতৃত্বে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ইউরোপের দলটি। শক্তিশালী ব্রাজিলকে হারিয়ে তারা এখন টুর্নামেন্টের অন্যতম আলোচিত দলে পরিণত হয়েছে।

About Author Information

জনপ্রিয় খবর

ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা

স্বপ্নভঙ্গ ব্রাজিলের, ২-১ গোলে হেরে বিদায় সেলেসাওদের

আপডেট এর সময় : ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের ২০২৬ আসরে ষষ্ঠ শিরোপা জয়ের স্বপ্ন নিয়েই মাঠে নেমেছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে দলটি ছিল শিরোপার অন্যতম দাবিদারও। কিন্তু সেই ‘মিশন হেক্সা’ আবারও অধরাই থেকে গেল। শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে সেলেসাওরা।

এদিকে ২০০৬ সালে ফ্রান্স, ২০১০ সালে নেদারল্যান্ডস, ২০১৪ সালে জার্মানি, ২০১৮ সালে বেলজিয়াম, ২০২২ সালে ক্রোয়েশিয়ার পর এবার ২০২৬ বিশ্বকাপে নরওয়ের কাছেও হারল সেলেসাওরা। দুই দশকের বেশি সময় ধরে বিশ্বকাপের নকআউটে ইউরোপীয় বাধা আর পেরোতে পারছে না ব্রাজিল।

কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার এই সাফল্য নরওয়েকে নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছে, আর ব্রাজিলের জন্য রেখে গেল আরও একবার অপূর্ণ থেকে যাওয়া ‘মিশন হেক্সা’র আক্ষেপ।

রোববার (৫ জুলাই) মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই সুযোগ তৈরি করেছিল ব্রাজিল। প্রথমার্ধেই এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল তারা। পেনাল্টি থেকে গোল করার সুযোগ পান ব্রুনো গুইমারেস। কিন্তু তার নেয়া শট দুর্দান্ত দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক। ম্যাচের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হয়ে ওঠে সেই সেভ।

প্রথমার্ধে গোলশূন্য সমতায় শেষ হওয়া ম্যাচে বিরতির পর পাল্টে যায় চিত্র। দ্বিতীয়ার্ধে নরওয়ের হয়ে জ্বলে ওঠেন আর্লিং হালান্ড। দুর্দান্ত দুটি গোল করে দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান তিনি। তার জোড়া গোলের জবাব দিতে পারেনি ব্রাজিল।

ম্যাচের শেষ দিকে পেনাল্টি থেকে একটি গোল শোধ করেন নেইমার। সেই গোলে কিছুটা আশা জাগলেও সমতা ফেরানোর মতো আর সুযোগ তৈরি করতে পারেনি আনচেলত্তির দল। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানের হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

এই হারের মধ্য দিয়ে আরও একটি হতাশাজনক রেকর্ডের সাক্ষী হলো ব্রাজিল। ২০০২ সালে সর্বশেষ বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে টানা ছয়টি বিশ্বকাপেই নকআউট পর্বে ইউরোপীয় দলের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে তাদের।

বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই ব্রাজিলকে অন্যতম ফেভারিট হিসেবে দেখা হচ্ছিল। অভিজ্ঞ ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে দলটির আক্রমণভাগ, মিডফিল্ড ও অভিজ্ঞতার সমন্বয় নিয়ে ছিল বড় প্রত্যাশা। কিন্তু সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখা যায়নি মাঠে। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সুযোগ নষ্ট করা, আক্রমণে ধার হারানো এবং প্রতিপক্ষের সুযোগ কাজে লাগানোর দক্ষতার কাছেই হার মানতে হয়েছে ব্রাজিলকে।

অন্যদিকে, এই জয় নরওয়ের ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায় লিখেছে। আর্লিং হালান্ডের নেতৃত্বে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ইউরোপের দলটি। শক্তিশালী ব্রাজিলকে হারিয়ে তারা এখন টুর্নামেন্টের অন্যতম আলোচিত দলে পরিণত হয়েছে।