Dhaka , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা Logo বহিষ্কৃত এমপির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইসিতে জামায়াতের চিঠি Logo শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক সিজেপিয়ের, উত্তেজনা তুঙ্গে Logo মুগদা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২২ জন গ্রেফতার Logo সেবামূলক কার্যক্রমে মানুষের আস্থার প্রতীক ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ Logo ভারতের শিক্ষার্থী আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে সরব শোবিজ অঙ্গন Logo সিআইএমএস ফরম পূরণ সপ্তাহে রামপুরা থানায় র‍্যালি ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo সৌদি আরবের পারমাণবিক কর্মসূচিতে সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন চুক্তি Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে প্রথমবার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, জবাব রাহুল গান্ধী ও সিপিআইয়ের

ইরানিদের মনোভাব নিয়ে বিস্মিত ট্রাম্প, খামেনিকে নিয়ে করলেন মন্তব্য

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট এর সময় : ০২:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • ৩৪ বার দেখা হয়েছে

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির জানাজায় জনতার আবেগপূর্ণ উপস্থিতি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেন, “ভেবেছিলাম ইরানিরা খামেনিকে ‘ঘৃণা’ করে।”

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা সবাই সেখানে (জানাজায়) উপস্থিত আছে। মাত্র একটি গুলির আঘাতেই আমরা তাদের সবাইকে শেষ করে দিতে পারতাম। কিন্তু আমরা সেটি করছি না, কারণ এটা করলে আলোচনার জন্য আর কেউ অবশিষ্ট থাকত না। তারা এখন সমঝোতার জন্য মরিয়া।’

আজ রোববার সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

শনিবার (৪ জুলাই) খামেনির বিদায়ী অনুষ্ঠানে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিকে কাঁদতে দেখা যায়। খামেনির মৃত্যুতে ইরানিদের এই কান্নার দৃশ্য দেখে ট্রাম্প সরাসরি প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম মানুষ তাকে ঘৃণা করে। হয়তো এগুলো তাদের মেকি কান্না।’

ট্রাম্প জানান, দুই পক্ষই খামেনির জানাজা শেষ হওয়া পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে এক সপ্তাহের বিরতি নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে। এই সময়সীমার মধ্যে কোনো পক্ষ একে অপরের ওপর হামলা চালাবে না। তিনি বলেন, ‘আমরা ভেনিজুয়েলাকে একদিনে হারিয়েছি এবং ইরানকেও চরম বেকায়দায় ফেলেছি। আমরা দয়ালু বলেই জানাজার আনুষ্ঠানিকতার জন্য তাদের এক সপ্তাহ সময় দিয়েছি।’

প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ৩৬ বছর ইরান শাসন করা আলি খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নিহত হন। ওই দিনই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথ হামলা শুরু করলে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা বেজে ওঠে। সাধারণত ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী মৃত ব্যক্তিকে দ্রুত দাফন করার নিয়ম থাকলেও, যুদ্ধাবস্থার কারণে খামেনির দাফন ও সংশ্লিষ্ট আনুষ্ঠানিকতার সময় নির্ধারণে দেরি হয়েছে।

অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকীর দিন অর্থাৎ ৪ জুলাই খামেনির জানাজা ও আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। আগামী ৭ জুলাই তেহরানের দক্ষিণে পবিত্র শহর কোমে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠিত হবে এবং ৯ জুলাই তার জন্মস্থান উত্তর-পূর্বের পবিত্র শহর মাশহাদে তাকে সমাহিত করার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে।

এদিকে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে নিজের বাবার জানাজা ও আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিচ্ছেন না ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আয়াতুল্লাহ হাকিম এলাহি জানিয়েছেন, ইসরায়েলি হুমকি ও নজরদারির ঝুঁকি থাকায় মোজতবার জনসমক্ষে আসাটা অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে।

About Author Information

জনপ্রিয় খবর

ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা

ইরানিদের মনোভাব নিয়ে বিস্মিত ট্রাম্প, খামেনিকে নিয়ে করলেন মন্তব্য

আপডেট এর সময় : ০২:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির জানাজায় জনতার আবেগপূর্ণ উপস্থিতি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেন, “ভেবেছিলাম ইরানিরা খামেনিকে ‘ঘৃণা’ করে।”

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা সবাই সেখানে (জানাজায়) উপস্থিত আছে। মাত্র একটি গুলির আঘাতেই আমরা তাদের সবাইকে শেষ করে দিতে পারতাম। কিন্তু আমরা সেটি করছি না, কারণ এটা করলে আলোচনার জন্য আর কেউ অবশিষ্ট থাকত না। তারা এখন সমঝোতার জন্য মরিয়া।’

আজ রোববার সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

শনিবার (৪ জুলাই) খামেনির বিদায়ী অনুষ্ঠানে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিকে কাঁদতে দেখা যায়। খামেনির মৃত্যুতে ইরানিদের এই কান্নার দৃশ্য দেখে ট্রাম্প সরাসরি প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম মানুষ তাকে ঘৃণা করে। হয়তো এগুলো তাদের মেকি কান্না।’

ট্রাম্প জানান, দুই পক্ষই খামেনির জানাজা শেষ হওয়া পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে এক সপ্তাহের বিরতি নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে। এই সময়সীমার মধ্যে কোনো পক্ষ একে অপরের ওপর হামলা চালাবে না। তিনি বলেন, ‘আমরা ভেনিজুয়েলাকে একদিনে হারিয়েছি এবং ইরানকেও চরম বেকায়দায় ফেলেছি। আমরা দয়ালু বলেই জানাজার আনুষ্ঠানিকতার জন্য তাদের এক সপ্তাহ সময় দিয়েছি।’

প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ৩৬ বছর ইরান শাসন করা আলি খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নিহত হন। ওই দিনই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথ হামলা শুরু করলে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা বেজে ওঠে। সাধারণত ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী মৃত ব্যক্তিকে দ্রুত দাফন করার নিয়ম থাকলেও, যুদ্ধাবস্থার কারণে খামেনির দাফন ও সংশ্লিষ্ট আনুষ্ঠানিকতার সময় নির্ধারণে দেরি হয়েছে।

অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকীর দিন অর্থাৎ ৪ জুলাই খামেনির জানাজা ও আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। আগামী ৭ জুলাই তেহরানের দক্ষিণে পবিত্র শহর কোমে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠিত হবে এবং ৯ জুলাই তার জন্মস্থান উত্তর-পূর্বের পবিত্র শহর মাশহাদে তাকে সমাহিত করার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে।

এদিকে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে নিজের বাবার জানাজা ও আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিচ্ছেন না ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আয়াতুল্লাহ হাকিম এলাহি জানিয়েছেন, ইসরায়েলি হুমকি ও নজরদারির ঝুঁকি থাকায় মোজতবার জনসমক্ষে আসাটা অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে।