Dhaka , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা Logo বহিষ্কৃত এমপির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইসিতে জামায়াতের চিঠি Logo শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক সিজেপিয়ের, উত্তেজনা তুঙ্গে Logo মুগদা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২২ জন গ্রেফতার Logo সেবামূলক কার্যক্রমে মানুষের আস্থার প্রতীক ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ Logo ভারতের শিক্ষার্থী আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে সরব শোবিজ অঙ্গন Logo সিআইএমএস ফরম পূরণ সপ্তাহে রামপুরা থানায় র‍্যালি ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo সৌদি আরবের পারমাণবিক কর্মসূচিতে সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন চুক্তি Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে প্রথমবার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, জবাব রাহুল গান্ধী ও সিপিআইয়ের

তীব্র তাপপ্রবাহে ৮ দিনে ইউরোপের তিন দেশে ৩,৭০০ জনের মৃত্যু!

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট এর সময় : ০১:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • ৩২ বার দেখা হয়েছে

তাপপ্রবাহ নিয়ে ইউরোপে দুঃসংবাদ। জুন মাসের আট দিনে ৩ দেশ ফ্রান্স, বেলজিয়াম এবং নেদারল্যান্ডসে ৩ হাজার ৭০০ মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। 

তিন দেশের সরকারি তথ্যের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।

গত ২০ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত ৮ দিন তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে ইউরোপজুড়ে। ইউরোপের জলবায়ুর যে ধরন, তার সাপেক্ষ সহ্যের অতীত সেই গরমে ব্যাপকভাবে বেড়ে গিয়েছিল বিদ্যুতের চাহিদা। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ৮ দিন স্থায়ী তাপপ্রবাহটি ইউরোপে এ পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল-যা বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটিয়েছে, অবকাঠামোর ক্ষতি করেছে এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মূলত বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই এ তাপপ্রবাহ ইউরোপের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে বলে মনে করেন ইউরোপের আবহাওয়া ও জলবায়ুবিদরা।

যাদের মৃত্যু হয়েছে, তারা সবাই কোনো না কোনো শারীরিক অসুস্থতা বা জটিলতায় ভুগছিলেন। যদি এই তাপপ্রবাহ বয়ে না যেতো, তাহলে হয়তো বেঁচে থাকতেন তারা।

যে ৩ হাজার ৭০০ অতিরিক্ত মৃত্যু হয়েছে, সেসবের অধিকাংশই ঘটেছে ফ্রান্সে। ফ্রান্সের স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্টেফানি রিস্ট গতকাল শুক্রবার টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে বলেছেন, জুন মাসের আট দিনের তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে অতিরিক্ত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ২ হাজার ২৫টি। এবারের তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে ৪৫ বছরের বেশি বয়সী লোকজনদের মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলেও ভাষণে উল্লেখ করেছেন তিনি।

“আমাদের ধারণা, সরকারিভাবে আমাদের হাতে যে সংখ্যা আছে, মৃতের প্রকৃত সংখ্যা তার চেয়ে বেশি”, বলেছেন স্টেফানি রিস্ট।

বেলজিয়ামের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, ১৮ জুন থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত ১১ দিনে বেলজিয়ামে ১ হাজার ২০০টি অতিরিক্ত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই মৃতদের মধ্যে ৫৩০ জনের বয়স ৮৫ বছর বা তার বেশি, ১৮০ জনের বয়স ৬৫ বছরের কম এবং বাকিরা ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে।

এক বিবৃতিতে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, “এই মাত্রার অতিরিক্ত মৃত্যু আমাদের দেশে অভূতপূর্ব ঘটনা। এর আগে কোনো গ্রীষ্মকালে এত অতিরিক্ত মৃত্যু ঘটেনি।”

About Author Information

জনপ্রিয় খবর

ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা

তীব্র তাপপ্রবাহে ৮ দিনে ইউরোপের তিন দেশে ৩,৭০০ জনের মৃত্যু!

আপডেট এর সময় : ০১:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

তাপপ্রবাহ নিয়ে ইউরোপে দুঃসংবাদ। জুন মাসের আট দিনে ৩ দেশ ফ্রান্স, বেলজিয়াম এবং নেদারল্যান্ডসে ৩ হাজার ৭০০ মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। 

তিন দেশের সরকারি তথ্যের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।

গত ২০ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত ৮ দিন তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে ইউরোপজুড়ে। ইউরোপের জলবায়ুর যে ধরন, তার সাপেক্ষ সহ্যের অতীত সেই গরমে ব্যাপকভাবে বেড়ে গিয়েছিল বিদ্যুতের চাহিদা। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ৮ দিন স্থায়ী তাপপ্রবাহটি ইউরোপে এ পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল-যা বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটিয়েছে, অবকাঠামোর ক্ষতি করেছে এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মূলত বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই এ তাপপ্রবাহ ইউরোপের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে বলে মনে করেন ইউরোপের আবহাওয়া ও জলবায়ুবিদরা।

যাদের মৃত্যু হয়েছে, তারা সবাই কোনো না কোনো শারীরিক অসুস্থতা বা জটিলতায় ভুগছিলেন। যদি এই তাপপ্রবাহ বয়ে না যেতো, তাহলে হয়তো বেঁচে থাকতেন তারা।

যে ৩ হাজার ৭০০ অতিরিক্ত মৃত্যু হয়েছে, সেসবের অধিকাংশই ঘটেছে ফ্রান্সে। ফ্রান্সের স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্টেফানি রিস্ট গতকাল শুক্রবার টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে বলেছেন, জুন মাসের আট দিনের তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে অতিরিক্ত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ২ হাজার ২৫টি। এবারের তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে ৪৫ বছরের বেশি বয়সী লোকজনদের মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলেও ভাষণে উল্লেখ করেছেন তিনি।

“আমাদের ধারণা, সরকারিভাবে আমাদের হাতে যে সংখ্যা আছে, মৃতের প্রকৃত সংখ্যা তার চেয়ে বেশি”, বলেছেন স্টেফানি রিস্ট।

বেলজিয়ামের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, ১৮ জুন থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত ১১ দিনে বেলজিয়ামে ১ হাজার ২০০টি অতিরিক্ত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই মৃতদের মধ্যে ৫৩০ জনের বয়স ৮৫ বছর বা তার বেশি, ১৮০ জনের বয়স ৬৫ বছরের কম এবং বাকিরা ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে।

এক বিবৃতিতে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, “এই মাত্রার অতিরিক্ত মৃত্যু আমাদের দেশে অভূতপূর্ব ঘটনা। এর আগে কোনো গ্রীষ্মকালে এত অতিরিক্ত মৃত্যু ঘটেনি।”