Dhaka , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা Logo বহিষ্কৃত এমপির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইসিতে জামায়াতের চিঠি Logo শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক সিজেপিয়ের, উত্তেজনা তুঙ্গে Logo মুগদা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২২ জন গ্রেফতার Logo সেবামূলক কার্যক্রমে মানুষের আস্থার প্রতীক ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ Logo ভারতের শিক্ষার্থী আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে সরব শোবিজ অঙ্গন Logo সিআইএমএস ফরম পূরণ সপ্তাহে রামপুরা থানায় র‍্যালি ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo সৌদি আরবের পারমাণবিক কর্মসূচিতে সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন চুক্তি Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে প্রথমবার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, জবাব রাহুল গান্ধী ও সিপিআইয়ের

দাদির স্বপ্ন পূরণে বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য ভিনিসিয়ুসের

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট এর সময় : ০২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • ৩১ বার দেখা হয়েছে

বিশ্বকাপ তিন ম্যাচে চার গোল করে গোলদাতার তালিকায় যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। রয়েছেন দারুণ ছন্দেও। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, নিজের দাদীর জন্য বিশ্বকাপটি জিততে চান। ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড ভিনি জুনিয়র গত রোববার ‘ডোমিঙ্গাঁও কোম হাক’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের ৩-০ গোলের জয়ের পর এই সাক্ষাৎকারটি ধারণ করা হয়েছিল। ওই ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা দুটি গোল করেন। সাক্ষাৎকারে নিজের দাদি ডোনা নিলজা সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে ভিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পাশাপাশি তিনি জানান, ব্রাজিলকে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জেতানোর স্বপ্নই এখন তার সবচেয়ে বড় লক্ষ্য। ম্যাচের পর ভিনির দাদি ডোনা নিলজা তার জন্য একটি বার্তা পাঠান। সেই বার্তা শুনে লুসিয়ানো হাকের পাশে বসেই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি ভিনি। তিনি জানান, ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি দাদির সঙ্গেই থাকতেন। ভিনি বলেন, ‘তিনি আমার জীবনের সবচেয়ে বিশেষ মানুষদের একজন। বাবা সব সময় দূরে থাকতেন, তাই মা, ভাইবোন আর দাদির সঙ্গেই বড় হয়েছি। আমাদের বাড়ি ছোট ছিল, তাই অনেক দিন দাদির সঙ্গেই ঘুমিয়েছি। তিনি আমার জীবনে অসাধারণ প্রভাব ফেলেছেন। আমি জানি, এক সময় সবাইকে চলে যেতে হয়। তাই তার সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত আমি উপভোগ করি। আমার স্বপ্ন পূরণের জন্য তারা সবকিছু করেছেন। আজ তাকে হাসিখুশি দেখতে পাওয়ার চেয়ে মূল্যবান কিছু নেই।’ মাঠের ভেতর-বাইরে বর্ণবাদের বিরুদ্ধে লড়াই নিয়েও কথা বলেন ভিনি। তার উদ্যোগে প্রণীত ‘ভিনি জুনিয়র আইন’ অনুযায়ী, বর্ণবাদী অঙ্গভঙ্গি করলে খেলোয়াড়দের মাঠ থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে। এই বিশ্বকাপে তুরস্কের বিপক্ষে ম্যাচে প্যারাগুয়ের আলমিরন এমন আচরণের কারণে লাল কার্ড দেখেছিলেন। ভিনির ভাষায়, ‘মাঠের বাইরের এই অর্জনগুলো আমার কাছে মাঠের সাফল্যের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর মাধ্যমে আমি আরও অনেক মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি। পরিবর্তন ধীরে হলেও হচ্ছে, আর আমি চাই পরবর্তী প্রজন্ম যেন এই কষ্টের মুখোমুখি না হয়। আমার সাত বছরের একটি ছোট ভাই আছে। আমি চাই সে যেন কখনো বর্ণবাদের শিকার না হয়। মাঠে বড় কিছু করতে চাই; কিন্তু একই সঙ্গে সেই সব কৃষ্ণাঙ্গ তরুণদের অনুপ্রাণিত করতে চাই, যাদের কণ্ঠস্বর আমার মতো শক্তিশালী নয়।’

About Author Information

জনপ্রিয় খবর

ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা

দাদির স্বপ্ন পূরণে বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য ভিনিসিয়ুসের

আপডেট এর সময় : ০২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

বিশ্বকাপ তিন ম্যাচে চার গোল করে গোলদাতার তালিকায় যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। রয়েছেন দারুণ ছন্দেও। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, নিজের দাদীর জন্য বিশ্বকাপটি জিততে চান। ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড ভিনি জুনিয়র গত রোববার ‘ডোমিঙ্গাঁও কোম হাক’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের ৩-০ গোলের জয়ের পর এই সাক্ষাৎকারটি ধারণ করা হয়েছিল। ওই ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা দুটি গোল করেন। সাক্ষাৎকারে নিজের দাদি ডোনা নিলজা সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে ভিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পাশাপাশি তিনি জানান, ব্রাজিলকে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জেতানোর স্বপ্নই এখন তার সবচেয়ে বড় লক্ষ্য। ম্যাচের পর ভিনির দাদি ডোনা নিলজা তার জন্য একটি বার্তা পাঠান। সেই বার্তা শুনে লুসিয়ানো হাকের পাশে বসেই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি ভিনি। তিনি জানান, ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি দাদির সঙ্গেই থাকতেন। ভিনি বলেন, ‘তিনি আমার জীবনের সবচেয়ে বিশেষ মানুষদের একজন। বাবা সব সময় দূরে থাকতেন, তাই মা, ভাইবোন আর দাদির সঙ্গেই বড় হয়েছি। আমাদের বাড়ি ছোট ছিল, তাই অনেক দিন দাদির সঙ্গেই ঘুমিয়েছি। তিনি আমার জীবনে অসাধারণ প্রভাব ফেলেছেন। আমি জানি, এক সময় সবাইকে চলে যেতে হয়। তাই তার সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত আমি উপভোগ করি। আমার স্বপ্ন পূরণের জন্য তারা সবকিছু করেছেন। আজ তাকে হাসিখুশি দেখতে পাওয়ার চেয়ে মূল্যবান কিছু নেই।’ মাঠের ভেতর-বাইরে বর্ণবাদের বিরুদ্ধে লড়াই নিয়েও কথা বলেন ভিনি। তার উদ্যোগে প্রণীত ‘ভিনি জুনিয়র আইন’ অনুযায়ী, বর্ণবাদী অঙ্গভঙ্গি করলে খেলোয়াড়দের মাঠ থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে। এই বিশ্বকাপে তুরস্কের বিপক্ষে ম্যাচে প্যারাগুয়ের আলমিরন এমন আচরণের কারণে লাল কার্ড দেখেছিলেন। ভিনির ভাষায়, ‘মাঠের বাইরের এই অর্জনগুলো আমার কাছে মাঠের সাফল্যের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর মাধ্যমে আমি আরও অনেক মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি। পরিবর্তন ধীরে হলেও হচ্ছে, আর আমি চাই পরবর্তী প্রজন্ম যেন এই কষ্টের মুখোমুখি না হয়। আমার সাত বছরের একটি ছোট ভাই আছে। আমি চাই সে যেন কখনো বর্ণবাদের শিকার না হয়। মাঠে বড় কিছু করতে চাই; কিন্তু একই সঙ্গে সেই সব কৃষ্ণাঙ্গ তরুণদের অনুপ্রাণিত করতে চাই, যাদের কণ্ঠস্বর আমার মতো শক্তিশালী নয়।’