Dhaka , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা Logo বহিষ্কৃত এমপির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইসিতে জামায়াতের চিঠি Logo শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক সিজেপিয়ের, উত্তেজনা তুঙ্গে Logo মুগদা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২২ জন গ্রেফতার Logo সেবামূলক কার্যক্রমে মানুষের আস্থার প্রতীক ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ Logo ভারতের শিক্ষার্থী আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে সরব শোবিজ অঙ্গন Logo সিআইএমএস ফরম পূরণ সপ্তাহে রামপুরা থানায় র‍্যালি ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo সৌদি আরবের পারমাণবিক কর্মসূচিতে সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন চুক্তি Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে প্রথমবার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, জবাব রাহুল গান্ধী ও সিপিআইয়ের

মার্কিন হামলার প্রতিশোধ নিতে কুয়েত-বাহরাইনে ইরানের হামলা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট এর সময় : ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • ২২ বার দেখা হয়েছে

ইরানের বিপ্লবী গার্ডস রোববার জানিয়েছে, ইরানে মার্কিন হামলার প্রতিশোধ হিসেবে তারা কুয়েত ও বাহরাইনে হামলা চালিয়েছে। গার্ডস সতর্ক করে বলেছে, ভবিষ্যতে যেকোনো মার্কিন আগ্রাসনের ‘কঠোর  জবাব’ দেওয়া হবে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশই একে অপরকে নাজুক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত বন্ধে যে আলোচনা চলছিল, তা আরও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

বিপ্লবী গার্ডস দাবি করেছে, তারা কুয়েতের আলি আল-সালেম ঘাঁটি এবং বাহরাইনের পোর্ট সালমানের পঞ্চম নৌবহর ঘাঁটিতে থাকা আটটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করেছে।

তারা আরও জানায়, ‘শত্রুর যেকোনো আগ্রাসন, অজুহাত যাই হোক না কেন, এমনকি ছোট লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে হলেও তার কঠোর ও বিধ্বংসী জবাব দেওয়া হবে।’

যুদ্ধের স্থায়ী অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় জুনের মাঝামাঝি সময় একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান স্বাক্ষরিত ওই চুক্তিতে বলা হয়, দুই দেশ এবং তাদের সহযোগীরা একে অপরের বিরুদ্ধে কোনো যুদ্ধ বা সামরিক অভিযান শুরু করবে না এবং শক্তি প্রয়োগ বা হুমকি প্রদর্শন থেকে বিরত থাকবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী শনিবার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ইরানে বোমা হামলা চালিয়েছে। মার্কিন পক্ষের দাবি, এটি ছিল হরমুজ প্রণালীতে একটি ট্যাংকারের ওপর ইরানি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে পাল্টা পদক্ষেপ।

এই সমঝোতা স্মারকে ইরান হরমুজ প্রণালীটিতে ‘শুধুমাত্র ৬০ দিনের জন্য পারস্য উপসাগর থেকে ওমান সাগর পর্যন্ত বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে বিনা শুল্কে নিরাপদে চলাচলের নিশ্চয়তা দিতে সম্মত হয়েছে।

রোববার বিপ্লবী গার্ড জানায়, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণে নতুন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ চলাচল করলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার তারা হরমুজ প্রণালী দিয়ে অনুমতি ছাড়া যেকোনো ধরনের যাতায়াতের বিরুদ্ধেও সতর্ক করেছিল।

ইরানের সাথে অপর উপকূলে অবস্থিত ওমান একটি বিকল্প পথের ইঙ্গিত দেওয়ার পরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

বর্তমানে ইরান শুধুমাত্র তার উপকূল বরাবর একটি করিডোর দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে।

About Author Information

জনপ্রিয় খবর

ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা

মার্কিন হামলার প্রতিশোধ নিতে কুয়েত-বাহরাইনে ইরানের হামলা

আপডেট এর সময় : ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

ইরানের বিপ্লবী গার্ডস রোববার জানিয়েছে, ইরানে মার্কিন হামলার প্রতিশোধ হিসেবে তারা কুয়েত ও বাহরাইনে হামলা চালিয়েছে। গার্ডস সতর্ক করে বলেছে, ভবিষ্যতে যেকোনো মার্কিন আগ্রাসনের ‘কঠোর  জবাব’ দেওয়া হবে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশই একে অপরকে নাজুক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত বন্ধে যে আলোচনা চলছিল, তা আরও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

বিপ্লবী গার্ডস দাবি করেছে, তারা কুয়েতের আলি আল-সালেম ঘাঁটি এবং বাহরাইনের পোর্ট সালমানের পঞ্চম নৌবহর ঘাঁটিতে থাকা আটটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করেছে।

তারা আরও জানায়, ‘শত্রুর যেকোনো আগ্রাসন, অজুহাত যাই হোক না কেন, এমনকি ছোট লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে হলেও তার কঠোর ও বিধ্বংসী জবাব দেওয়া হবে।’

যুদ্ধের স্থায়ী অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় জুনের মাঝামাঝি সময় একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান স্বাক্ষরিত ওই চুক্তিতে বলা হয়, দুই দেশ এবং তাদের সহযোগীরা একে অপরের বিরুদ্ধে কোনো যুদ্ধ বা সামরিক অভিযান শুরু করবে না এবং শক্তি প্রয়োগ বা হুমকি প্রদর্শন থেকে বিরত থাকবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী শনিবার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ইরানে বোমা হামলা চালিয়েছে। মার্কিন পক্ষের দাবি, এটি ছিল হরমুজ প্রণালীতে একটি ট্যাংকারের ওপর ইরানি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে পাল্টা পদক্ষেপ।

এই সমঝোতা স্মারকে ইরান হরমুজ প্রণালীটিতে ‘শুধুমাত্র ৬০ দিনের জন্য পারস্য উপসাগর থেকে ওমান সাগর পর্যন্ত বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে বিনা শুল্কে নিরাপদে চলাচলের নিশ্চয়তা দিতে সম্মত হয়েছে।

রোববার বিপ্লবী গার্ড জানায়, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণে নতুন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ চলাচল করলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার তারা হরমুজ প্রণালী দিয়ে অনুমতি ছাড়া যেকোনো ধরনের যাতায়াতের বিরুদ্ধেও সতর্ক করেছিল।

ইরানের সাথে অপর উপকূলে অবস্থিত ওমান একটি বিকল্প পথের ইঙ্গিত দেওয়ার পরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

বর্তমানে ইরান শুধুমাত্র তার উপকূল বরাবর একটি করিডোর দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে।