Dhaka , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা Logo বহিষ্কৃত এমপির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইসিতে জামায়াতের চিঠি Logo শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক সিজেপিয়ের, উত্তেজনা তুঙ্গে Logo মুগদা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২২ জন গ্রেফতার Logo সেবামূলক কার্যক্রমে মানুষের আস্থার প্রতীক ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ Logo ভারতের শিক্ষার্থী আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে সরব শোবিজ অঙ্গন Logo সিআইএমএস ফরম পূরণ সপ্তাহে রামপুরা থানায় র‍্যালি ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo সৌদি আরবের পারমাণবিক কর্মসূচিতে সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন চুক্তি Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে প্রথমবার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, জবাব রাহুল গান্ধী ও সিপিআইয়ের

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট এর সময় : ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ২১ বার দেখা হয়েছে

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ২০২৩ সালের নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪৬ হাজার ১৯৯ পরীক্ষার্থীর ফল মেধার ভিত্তিতে পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আজ বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় দেন। আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম।  একই সঙ্গে রিটকারী ১৫১ জনকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

রায়ে বলা হয়েছে, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল কোটার ভিত্তিতে নয়, মেধার ভিত্তিতে পুনরায় প্রকাশ করতে হবে। একইসঙ্গে আদালত রিটকারী ১৫১ জনকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করা জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, প্রাইমারি স্কুলের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে ২০২৩ সালে একটি সার্কুলার হয়েছিল। সেই সার্কুলার অনুযায়ী তখনকার সময়ে বিদ্যমান যে কোটা পদ্ধতি ছিল, সেখানে ৮৪ শতাংশ কোটার ভিত্তিতে নিয়োগ হয়েছিল। সেটাকে চ্যালেঞ্জ করে ১৫১ জন রিট পিটিশনার হাইকোর্ট ডিভিশনে মামলা করেছিলেন যে, জুলাই বিপ্লবের পরে সুপ্রিম কোর্টের যেহেতু একটা জাজমেন্ট হয়েছে যে, সেখানে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগটা হবে এবং মেধা হবে ৯৩ শতাংশ, তার ভিত্তিতে নিয়োগ হওয়া উচিত।

‘এই মামলার ভিত্তিতে হাইকোর্ট ডিভিশন ওই নিয়োগটাকে অবৈধ ঘোষণা করে ১৫১ জনকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সরকার আপিল দায়ের করেছিলেন। সেই আপিলটা আজকে শুনানি অন্তে চূড়ান্ত রায় হয়েছে। আপিল ডিভিশন সেই রায়ে তিনটি অবজারভেশন দিয়ে আপিলটিকে নিষ্পত্তি করেছেন’-যোগ করেন তিনি।

প্রথম নির্দেশনা হচ্ছে

যে ১৫১ জন রিট পিটিশনার যারা ছিলেন, তাদেরকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে নিয়োগ দেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্ট সরকারের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।

দ্বিতীয় যে নির্দেশনাটা দিয়েছেন

যে ৪৬ হাজার ১৯৯ জন পরীক্ষার্থী সেই সময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু রেজাল্ট পাবলিশড হয়েছিল তখন বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি অনুযায়ী। সুপ্রিম কোর্ট আজকে রায় দিয়েছেন যে, পুনরায় এই ৪৬ হাজার ১৯৯ জনের রেজাল্ট সুপ্রিম কোর্টের কোটার বিরুদ্ধে যে রায়টা ছিল- অর্থাৎ সিপি নাম্বার ২৫১৬ অব ২০২৪-এ কোটাকে বাতিল করে যে রায়টা দিয়েছিল- সেই রায়ের আলোকে এই রেজাল্টটা পুনরায় প্রকাশ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

তৃতীয় ডাইরেকশন হচ্ছে : যে এই মামলা সুপ্রিম কোর্টে চলাকালীন সময় যারা এরইমধ্যে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন- ৬ হাজার ৫৩১ জন শিক্ষক, তাদের নিয়োগটা ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত বহাল রাখতে বলেছেন।

এই রায়ের মাধ্যমে কোটা পদ্ধতির ব্যাপারে বাংলাদেশের আগের যে কোটা পদ্ধতি ছিল সেটা বাতিল হলো এবং নতুন করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টের আগের রায়টা পুনরায় বলবৎ করা হলো।

About Author Information

জনপ্রিয় খবর

ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ

আপডেট এর সময় : ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ২০২৩ সালের নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪৬ হাজার ১৯৯ পরীক্ষার্থীর ফল মেধার ভিত্তিতে পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আজ বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় দেন। আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম।  একই সঙ্গে রিটকারী ১৫১ জনকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

রায়ে বলা হয়েছে, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল কোটার ভিত্তিতে নয়, মেধার ভিত্তিতে পুনরায় প্রকাশ করতে হবে। একইসঙ্গে আদালত রিটকারী ১৫১ জনকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করা জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, প্রাইমারি স্কুলের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে ২০২৩ সালে একটি সার্কুলার হয়েছিল। সেই সার্কুলার অনুযায়ী তখনকার সময়ে বিদ্যমান যে কোটা পদ্ধতি ছিল, সেখানে ৮৪ শতাংশ কোটার ভিত্তিতে নিয়োগ হয়েছিল। সেটাকে চ্যালেঞ্জ করে ১৫১ জন রিট পিটিশনার হাইকোর্ট ডিভিশনে মামলা করেছিলেন যে, জুলাই বিপ্লবের পরে সুপ্রিম কোর্টের যেহেতু একটা জাজমেন্ট হয়েছে যে, সেখানে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগটা হবে এবং মেধা হবে ৯৩ শতাংশ, তার ভিত্তিতে নিয়োগ হওয়া উচিত।

‘এই মামলার ভিত্তিতে হাইকোর্ট ডিভিশন ওই নিয়োগটাকে অবৈধ ঘোষণা করে ১৫১ জনকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সরকার আপিল দায়ের করেছিলেন। সেই আপিলটা আজকে শুনানি অন্তে চূড়ান্ত রায় হয়েছে। আপিল ডিভিশন সেই রায়ে তিনটি অবজারভেশন দিয়ে আপিলটিকে নিষ্পত্তি করেছেন’-যোগ করেন তিনি।

প্রথম নির্দেশনা হচ্ছে

যে ১৫১ জন রিট পিটিশনার যারা ছিলেন, তাদেরকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে নিয়োগ দেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্ট সরকারের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।

দ্বিতীয় যে নির্দেশনাটা দিয়েছেন

যে ৪৬ হাজার ১৯৯ জন পরীক্ষার্থী সেই সময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু রেজাল্ট পাবলিশড হয়েছিল তখন বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি অনুযায়ী। সুপ্রিম কোর্ট আজকে রায় দিয়েছেন যে, পুনরায় এই ৪৬ হাজার ১৯৯ জনের রেজাল্ট সুপ্রিম কোর্টের কোটার বিরুদ্ধে যে রায়টা ছিল- অর্থাৎ সিপি নাম্বার ২৫১৬ অব ২০২৪-এ কোটাকে বাতিল করে যে রায়টা দিয়েছিল- সেই রায়ের আলোকে এই রেজাল্টটা পুনরায় প্রকাশ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

তৃতীয় ডাইরেকশন হচ্ছে : যে এই মামলা সুপ্রিম কোর্টে চলাকালীন সময় যারা এরইমধ্যে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন- ৬ হাজার ৫৩১ জন শিক্ষক, তাদের নিয়োগটা ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত বহাল রাখতে বলেছেন।

এই রায়ের মাধ্যমে কোটা পদ্ধতির ব্যাপারে বাংলাদেশের আগের যে কোটা পদ্ধতি ছিল সেটা বাতিল হলো এবং নতুন করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টের আগের রায়টা পুনরায় বলবৎ করা হলো।