Dhaka , রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা Logo বহিষ্কৃত এমপির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইসিতে জামায়াতের চিঠি Logo শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক সিজেপিয়ের, উত্তেজনা তুঙ্গে Logo মুগদা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২২ জন গ্রেফতার Logo সেবামূলক কার্যক্রমে মানুষের আস্থার প্রতীক ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ Logo ভারতের শিক্ষার্থী আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে সরব শোবিজ অঙ্গন Logo সিআইএমএস ফরম পূরণ সপ্তাহে রামপুরা থানায় র‍্যালি ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo সৌদি আরবের পারমাণবিক কর্মসূচিতে সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন চুক্তি Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে প্রথমবার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, জবাব রাহুল গান্ধী ও সিপিআইয়ের

কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলির ঘটনায়, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট এর সময় : ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • ২০ বার দেখা হয়েছে

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা এক তরুণকে গুলি এবং পৃথক ঘটনায় দুজনকে হত্যার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন এবং আরেকজনকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৮ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য দুই আসামি হলেন ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান। একই থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ছাত্র জনতার আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলির হাত থেকে বাঁচতে রামপুরার বনশ্রী, মেরাদিয়া সড়কের পাশে একটি নির্মাণাধীন ভবনে আশ্রয় নেন আমির হোসেন। পুলিশ সদস্যরা তাঁকে ধাওয়া করে ভবনের ছাদ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। একপর্যায়ে তিনি প্রাণ বাঁচাতে কার্নিশের রড ধরে ঝুলে থাকলেও তাঁর দিকে ছয় রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান।

একই দিনে বনশ্রী এলাকায় পুলিশের গুলিতে নাদিম ও মায়া ইসলাম নিহত হন। এই ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করেই মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়।

মামলার বিচারিক কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৩ জন সাক্ষ্য দেন। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের দ্বিতীয় দফার যুক্তিতর্ক শেষ হয় ১৫ জুন। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল রায়ের জন্য রোববার (২৮ জুন) দিন নির্ধারণ করেছিলেন।

রায়ের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েকজন আসামি পলাতক ছিলেন বলে আদালতে জানানো হয়। তাদের মধ্যে সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক এডিসি রাশেদুল ইসলাম, সাবেক ওসি মশিউর রহমান এবং সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া রয়েছেন।

About Author Information

জনপ্রিয় খবর

ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা

কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলির ঘটনায়, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট এর সময় : ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা এক তরুণকে গুলি এবং পৃথক ঘটনায় দুজনকে হত্যার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন এবং আরেকজনকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৮ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য দুই আসামি হলেন ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান। একই থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ছাত্র জনতার আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলির হাত থেকে বাঁচতে রামপুরার বনশ্রী, মেরাদিয়া সড়কের পাশে একটি নির্মাণাধীন ভবনে আশ্রয় নেন আমির হোসেন। পুলিশ সদস্যরা তাঁকে ধাওয়া করে ভবনের ছাদ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। একপর্যায়ে তিনি প্রাণ বাঁচাতে কার্নিশের রড ধরে ঝুলে থাকলেও তাঁর দিকে ছয় রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান।

একই দিনে বনশ্রী এলাকায় পুলিশের গুলিতে নাদিম ও মায়া ইসলাম নিহত হন। এই ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করেই মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়।

মামলার বিচারিক কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৩ জন সাক্ষ্য দেন। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের দ্বিতীয় দফার যুক্তিতর্ক শেষ হয় ১৫ জুন। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল রায়ের জন্য রোববার (২৮ জুন) দিন নির্ধারণ করেছিলেন।

রায়ের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েকজন আসামি পলাতক ছিলেন বলে আদালতে জানানো হয়। তাদের মধ্যে সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক এডিসি রাশেদুল ইসলাম, সাবেক ওসি মশিউর রহমান এবং সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া রয়েছেন।