Dhaka , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা Logo বহিষ্কৃত এমপির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইসিতে জামায়াতের চিঠি Logo শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক সিজেপিয়ের, উত্তেজনা তুঙ্গে Logo মুগদা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২২ জন গ্রেফতার Logo সেবামূলক কার্যক্রমে মানুষের আস্থার প্রতীক ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ Logo ভারতের শিক্ষার্থী আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে সরব শোবিজ অঙ্গন Logo সিআইএমএস ফরম পূরণ সপ্তাহে রামপুরা থানায় র‍্যালি ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo সৌদি আরবের পারমাণবিক কর্মসূচিতে সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন চুক্তি Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে প্রথমবার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, জবাব রাহুল গান্ধী ও সিপিআইয়ের

অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে বিটিএল গ্রুপের সিইও গ্রেফতার, ১৮ ঘণ্টার অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট এর সময় : ০৩:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • ৪২ বার দেখা হয়েছে

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় চাকরি দেওয়া, ব্যবসায় বিনিয়োগ, গাড়ি কেনাবেচা এবং কুরবানির গরু কেনার নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের মূলহোতা ও বিটিএল গ্রুপের সিইও মির্জা আবুল বাশার (৩৫) কে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গুলশান থানা পুলিশ।

শনিবার (২০ জুন) দুপুর আনুমানিক ১:৩০ ঘটিকায় টানা ১৮ ঘণ্টার এক রুদ্ধশ্বাস অভিযান চালিয়ে গুলশান-১ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গুলশান থানা সূত্রে জানা যায়, গাড়ি ক্রয়-বিক্রয়ের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে আবুল বাশারের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় একটি প্রতারণা মামলা রুজু করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিভিন্ন সময়ে অভিযান পরিচালনা করলেও চতুর আবুল বাশার বারবার স্থান পরিবর্তন করে পালিয়ে বেড়াতেন।
পরবর্তীতে গুলশান থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, আসামি গুলশান-১ এলাকার একটি বাড়িতে অবস্থান করছেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে গত রাতে সেখানে বিশেষ অভিযান শুরু করে গুলশান থানা পুলিশ। দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টার চেষ্টা শেষে শনিবার দুপুর আনুমানিক ১:৩০ ঘটিকায় তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

গুলশান থানা সূত্রে আরও জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আবুল বাশার দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সুকৌশলে প্রতারণার জাল বিছিয়ে আসছিলেন। তিনি চাকরির প্রলোভন, আসামি মুক্ত করার আশ্বাস, ভুয়া ব্যবসায় বিনিয়োগ, গাড়ি ও পশুর হাটে প্রতারণাসহ বহু মাত্রিক প্রতারণা করে আসছিলেন। পুলিশের রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে জানা যায়, এর আগেও প্রায় ১০-১১ মাস পূর্বে গুলশান থানা পুলিশের একটি অভিযানে আবুল বাশারের হেফাজত থেকে দুটি চোরাই ও প্রতারণামূলক গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছিল, যা নিয়ে পরবর্তীতে ভাটারা থানায় মামলা হয়। এছাড়া দেশের বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।

গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

About Author Information

জনপ্রিয় খবর

ডিএসইর লেনদেন ছাড়াল ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা

অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে বিটিএল গ্রুপের সিইও গ্রেফতার, ১৮ ঘণ্টার অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ

আপডেট এর সময় : ০৩:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় চাকরি দেওয়া, ব্যবসায় বিনিয়োগ, গাড়ি কেনাবেচা এবং কুরবানির গরু কেনার নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের মূলহোতা ও বিটিএল গ্রুপের সিইও মির্জা আবুল বাশার (৩৫) কে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গুলশান থানা পুলিশ।

শনিবার (২০ জুন) দুপুর আনুমানিক ১:৩০ ঘটিকায় টানা ১৮ ঘণ্টার এক রুদ্ধশ্বাস অভিযান চালিয়ে গুলশান-১ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গুলশান থানা সূত্রে জানা যায়, গাড়ি ক্রয়-বিক্রয়ের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে আবুল বাশারের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় একটি প্রতারণা মামলা রুজু করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিভিন্ন সময়ে অভিযান পরিচালনা করলেও চতুর আবুল বাশার বারবার স্থান পরিবর্তন করে পালিয়ে বেড়াতেন।
পরবর্তীতে গুলশান থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, আসামি গুলশান-১ এলাকার একটি বাড়িতে অবস্থান করছেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে গত রাতে সেখানে বিশেষ অভিযান শুরু করে গুলশান থানা পুলিশ। দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টার চেষ্টা শেষে শনিবার দুপুর আনুমানিক ১:৩০ ঘটিকায় তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

গুলশান থানা সূত্রে আরও জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আবুল বাশার দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সুকৌশলে প্রতারণার জাল বিছিয়ে আসছিলেন। তিনি চাকরির প্রলোভন, আসামি মুক্ত করার আশ্বাস, ভুয়া ব্যবসায় বিনিয়োগ, গাড়ি ও পশুর হাটে প্রতারণাসহ বহু মাত্রিক প্রতারণা করে আসছিলেন। পুলিশের রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে জানা যায়, এর আগেও প্রায় ১০-১১ মাস পূর্বে গুলশান থানা পুলিশের একটি অভিযানে আবুল বাশারের হেফাজত থেকে দুটি চোরাই ও প্রতারণামূলক গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছিল, যা নিয়ে পরবর্তীতে ভাটারা থানায় মামলা হয়। এছাড়া দেশের বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।

গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।